পারমাণবিক সংখ্যা

পরমাণু অতিশয় ক্ষুদ্র।এর ব্যাস 10^-^8 cm।পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন।ইলেকট্রন সংখ্যা সবসময় প্রোটন সংখ্যার সমান হয়।প্রোটন সংখ্যাকে পারমাণবিক সংখ্যা (Z)বলা হয়।প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যাকে একত্রে ভর সংখ্যা (A) বা নিউক্লিয়ন সংখ্যা বলা হয়।

 

কার্বনের ব্যবহার

কার্বন একটি অধাতু।এর দুটি রূপভেদ (হীরক ও গ্রাফাইট ) রয়েছে।এর মধ্যে হীরকে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে,এটি সবচেয়ে কঠিন পদার্থ  এবং  বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। তবে গ্রাফাইটে কার্বন-কার্বন ত্রিবন্ধন ব্যবহৃত হওয়ায় এটি  বিদ্যুৎ পরিবহন করে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার লক্ষ করা যায়।যেমন-হীরক চূর্ণ রঙ তৈরিতে ও কাচ কাটতে ব্যবহার করা হয়,কালো রঙ তৈরিতে ভুষা কয়লা ব্যবহার করা হয়,অস্তিজ কয়লাকে HCl দ্বারা প্রক্রিয়াজাত করে  আইভরি ব্ল্যাক তৈরি করা হয়,এছাড়া স্টেনলেস স্টিল তৈরিতে ৭৪% লোহা,১৮%ক্রোমিয়াম,৮%নিকেল ও ১% কার্বন ব্যবহার করা হয়।এছাড়া জৈব বস্তুর অসম্পূর্ণ দহনে যে কার্বন ডাইওক্সাইড তৈরি হয় তা পানিতে দ্রবীভূত করে সোডা ওয়াটার এবং একে চাপ প্রয়োগে কঠিন করে শুষ্ক বরফ তৈরি করা হয়। 

 

তেজস্ক্রিয়তা

যেসব পদার্থ থেকে আলফা,বিটা ও গামা রশ্মি নির্গত হয় তাদের তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।ইউরেনিয়াম,নেপচুলিয়াম,প্লুটোনিয়াম প্রভৃতি তেজস্ক্রিয় পদার্থ।আর তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে অবিরত আলফা( ধনাত্মক চার্জযুক্ত),বিটা(ঋণাত্মক চার্জযুক্ত) ও গামা(চার্জ নিরপেক্ষ) রশ্মি নির্গমনের ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলা হয়।১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল ইউরেনিয়ামের  তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।আর এর কৃতিত্বস্বরূপ তাঁকে নোবেল দেয়া হয়।  

/