বিট, বাইট এবং শব্দ দৈর্ঘ্য

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বা দ্বিমিক সংখ্যা পদ্ধতি (ইংরেজি: Binary number system) একটি সংখ্যা পদ্ধতি যাতে সকল সংখ্যাকে কেবলমাত্র ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই। ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটার সমস্ত হিসাব নিকাশ ০ ও ১ এর মাধ্যমে সম্পন্ন করে। তাই কম্পিউটারে প্রদত্ত সমস্ত নির্দেশ টেলেক্স কোডকে প্রথমে বাইনারি অঙ্কে রূপান্তর করে তার পর হিসাব নিকাশ সম্পন্ন করে ।

বিটঃ বাইনারি নাম্বার পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ০ এবং ১ এর অংক দুটটির প্রত্যেকটিকে একটি বিট বলা হয়। ইংরেজি binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের t নিয়ে বিট Bit শব্দটি গঠিত। যেমনঃ ১০১০১ সংখ্যাটিতে পাঁচটি বিট আছে। কম্পিউটারের স্মৃতিতে ০ এবং ১ এর কোড দিয়ে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এজন্য কম্পিউটারের স্মৃতির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে বিট শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

বাইটঃ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোন বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। ৮টি বিট দিয়ে গঠিত শব্দকে Byte বলা হয়। যেমনঃ ১০০০১০১০ হল ১টি বাইট। বাইট হলো বাইনারি পদ্ধতিতে তথ্য প্রকাশের মৌলিক একক। কম্পিউটারে স্মৃতি ধারণক্ষমতা বাইটে প্রকাশ করা হয়।

শব্দ দৈর্ঘ্যঃ কম্পিউটারে সকল শব্দই থাকে ০ বা ১ বিট হিসেবে। ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়। কোন শব্দে যতগুলো বিট থাকে সেই সংখ্যাকে বলে শব্দ দৈর্ঘ্য। সাধারণত শব্দ দৈর্ঘ্য ৮ গুনিতকে ৮ থেকে ৬৪ বিটে হয়।

/